৫৭ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই, পাঠদান ব্যাহত: শিক্ষার্থীরা কি পাচ্ছে মানসম্মত শিক্ষা?

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ৫৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই – এই একটি বাক্যই যথেষ্ট বোঝার জন্য যে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা কতটা সংকটে রয়েছে। হাজার হাজার শিশু যখন স্কুলে যায় নতুন কিছু শেখার আশায়, তখন তাদের স্কুলে নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক। সহকারী শিক্ষকেরা একাই সামলাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব এবং নিজেদের পাঠদানের কাজ। ফলে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে প্রতিদিন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ।
কতটা ভয়াবহ এই শিক্ষক সংকট

বাজিতপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় বর্তমানে মোট ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। কিন্তু পরিসংখ্যান দেখলে চোখ কপালে উঠে যায়। এর মধ্যে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, ৭৪টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য এবং ২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী নেই। মানে একটি উপজেলায় প্রায় অর্ধেক স্কুলেই নেই প্রধান শিক্ষক!
বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি হিসাবে ৫৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য দেখানো হলেও বাস্তবতা আরও করুণ। কারণ এই ৫৭ জন সহকারী শিক্ষক যখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তখন তাদের নিজেদের সহকারী শিক্ষকের পদগুলোও কার্যত শূন্য হয়ে যায়। এই হিসাবে মোট সহকারী শিক্ষক শূন্য পদের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১৩১টি। একটি উপজেলায় ১৩১টি শিক্ষক পদ শূন্য থাকা মানে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না।
শিক্ষক সংকটের বিস্তারিত পরিসংখ্যান
শিক্ষক সংকটের বিস্তারিত পরিসংখ্যান
বিবরণ সংখ্যা শতাংশ
মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১১১টি ১০০%
প্রধান শিক্ষক শূন্য পদ ৫৭টি ৫১.৩৫%
সহকারী শিক্ষক শূন্য পদ (সরকারি হিসাব) ৭৪টি –
সহকারী শিক্ষক শূন্য পদ (বাস্তব অবস্থা) ১৩১টি –
দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী শূন্য পদ ২৪টি ২১.৬২%
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে প্রতিদিন। একজন শিক্ষককে একসাথে তিন-চারটি ক্লাস সামলাতে হচ্ছে। ফলে কোনো ক্লাসেই পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেন না তিনি। যে শিশুটির গণিতে দুর্বলতা আছে, সে পাচ্ছে না বিশেষ যত্ন। যে শিশুটি পড়তে পারে না ঠিকমতো, তাকে আলাদাভাবে শেখানোর সময় নেই শিক্ষকের। এভাবেই প্রতিদিন পিছিয়ে যাচ্ছে হাজারো শিক্ষার্থী।
শিক্ষকদের উপর অতিরিক্ত চাপ

কর্মরত শিক্ষকেরা যখন বাৎসরিক ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, পিটিআই প্রশিক্ষণ এবং রিসোর্স সেন্টারের বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন, তখন বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। অনেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে দাপ্তরিক কাজে অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকতে হয়। সরকারি বিভিন্ন মিটিং, রিপোর্ট তৈরি, বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ – এসব করতে গিয়ে তারা ক্লাসরুম থেকে দূরে থাকতে বাধ্য হন। ফলে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষক দিয়ে একাধিক শিফটে ক্লাস পরিচালনা করা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কষ্টের গল্প

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এতে তার নিজের সহকারী শিক্ষক পদটি শূন্য রয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে একাই সামলাতে হয় বিদ্যালয়ের সব দায়িত্ব। ক্লাসে পড়ানো, রেজিস্টার দেখা, অভিভাবকদের সাথে কথা বলা, সরকারি রিপোর্ট তৈরি করা – সবকিছু। তিনি বলেন, “আমি চেষ্টা করি শিক্ষার্থীদের ভালো পড়াতে, কিন্তু একা হাতে সব সামলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় ক্লাসে ঠিকমতো মনোযোগ দিতে পারি না।”
দপ্তরি ও নৈশপ্রহরীর অভাবে নিরাপত্তা ঝুঁকি

২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। স্কুল পরিষ্কার রাখা, জরুরি কাজে সাহায্য করা, রাতে স্কুল পাহারা দেওয়া – এসব কাজ করার কেউ নেই। ফলে অনেক স্কুলে চুরির ঘটনা ঘটছে, স্কুলের জিনিসপত্র নষ্ট হচ্ছে। শিক্ষকদেরই এসব কাজ করতে হচ্ছে, যা তাদের মূল দায়িত্ব নয়।
শিক্ষক সমিতির সভাপতির বক্তব্য

বাজিতপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম সায়েম খান বলেন, “সরকারি হিসাবে আমাদের উপজেলায় সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদ ৭৪টি দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা প্রায় ১৩১টি। কারণ বহু সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া শিক্ষক অসুস্থতা, মাতৃত্যকালীন ছুটি ও নিয়মিত ছুটির কারণে অনেক বিদ্যালয়ে পাঠদান ও দাপ্তরিক কাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।”
সহকর্মীদের রোষানল ও কর্ম পরিবেশের সমস্যা

সায়েম খান আরও জানান, সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় সহকর্মীদের রোষানলে পড়তে হয়। কারণ তাকে তখন সিনিয়র সহকর্মীদেরও নির্দেশনা দিতে হয়, যা অনেকে ভালোভাবে নেন না। এতে স্কুলের কর্ম পরিবেশ খারাপ হয়, শিক্ষকদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দেখা দেয়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম কার্যত নামমাত্র পরিচালিত হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “প্রতিষ্ঠানের সার্বিক স্বার্থে সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি শিগগির প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।”
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কী বলছেন

বাজিতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, “শিক্ষক সংকটের বিষয়টি আমরা লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ৭৫ জন সহকারী শিক্ষক দেওয়ার জন্য আবেদন করেছি। আশা করছি চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শূন্য পদগুলো পূরণ হবে। তখন এ সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।” তিনি আরও জানান, বাজিতপুরে যোগদানের পর থেকে ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চোখে পড়ার মতো উন্নয়ন হয়েছে। শিক্ষক সংকট কাটিয়ে পাঠদানের গতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করছেন তিনি।
অভিভাবকদের উদ্বেগ ও দাবি

স্থানীয় অভিভাবকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, তাদের সন্তানেরা স্কুলে গিয়ে সঠিকভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না। একজন অভিভাবক বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। প্রাইভেট পড়ানোর টাকা নেই। সরকারি স্কুলেই ভরসা ছিল, কিন্তু সেখানেও তো শিক্ষক নেই। আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ কী হবে?” অভিভাবকরা দ্রুত শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছেন। তারা চান সরকার জরুরি ভিত্তিতে এই সমস্যার সমাধান করুক।
সমস্যার মূল কারণগুলো কী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ রয়েছে। প্রথমত, দীর্ঘদিন ধরে নতুন শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়া। দ্বিতীয়ত, অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের পদ দ্রুত পূরণ না করা। তৃতীয়ত, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে শিক্ষকদের অংশগ্রহণের সময় বিকল্প ব্যবস্থা না থাকা। চতুর্থত, মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকা শিক্ষকদের জন্য অস্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়া। এসব মিলিয়ে সংকট দিন দিন বাড়ছে।
সমাধানের উপায় কী

শিক্ষক সংকট নিরসনে কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। প্রথমত, জরুরি ভিত্তিতে শূন্য পদগুলো পূরণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রতি বছর যত শিক্ষক অবসরে যান, তার আগেই নতুন নিয়োগ দিতে হবে। চতুর্থত, মাতৃত্বকালীন ছুটি ও দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের সময় অস্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। পঞ্চমত, প্রতিটি স্কুলে ন্যূনতম কতজন শিক্ষক থাকতে হবে তার একটি মান নির্ধারণ করতে হবে।
শুধু বাজিতপুরেই নয়, সারাদেশে সমস্যা

বাজিতপুরের এই চিত্র শুধু এই উপজেলার সমস্যা নয়, এটি সারাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি সাধারণ অবস্থা। দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় একই রকম শিক্ষক সংকট বিদ্যমান। কোথাও কোথাও অবস্থা আরও খারাপ। তাই জাতীয় পর্যায়ে এই সমস্যা সমাধানের জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এই বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।
শিক্ষার মানের উপর প্রভাব

শিক্ষক সংকট শুধু পাঠদান ব্যাহত করছে না, এটি সামগ্রিকভাবে শিক্ষার মান কমিয়ে দিচ্ছে। যে শিশুগুলো এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে, তারাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের ভিত্তি যদি দুর্বল হয়, তাহলে পরবর্তী জীবনে তারা পিছিয়ে থাকবে। প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলা, ইংরেজি, গণিতের যে ভিত্তি তৈরি হয়, সেটি সারাজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই ভিত্তি দুর্বল হলে উচ্চশিক্ষায়ও সমস্যা হয়।
সরকারি উদ্যোগ ও প্রত্যাশা

সরকার প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন পাঠ্যক্রম চালু করা হয়েছে, শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, স্কুলে মিড-ডে মিল চালু হয়েছে। কিন্তু এসব উদ্যোগ তখনই সফল হবে যখন পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষক থাকবে। তাই জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। অভিভাবক ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, সরকার দ্রুত এই সংকটের সমাধান করবে।
FAQ – প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
প্রশ্ন ১: বাজিতপুর উপজেলায় কতটি স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই?

উত্তর: বাজিতপুর উপজেলার মোট ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টি স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। এটি মোট স্কুলের প্রায় ৫১ শতাংশ, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
প্রশ্ন ২: সহকারী শিক্ষক শূন্য পদের বাস্তব সংখ্যা কত?

উত্তর: সরকারি হিসাবে সহকারী শিক্ষক শূন্য পদ ৭৪টি দেখানো হলেও বাস্তবে এ সংখ্যা প্রায় ১৩১টি। কারণ ৫৭ জন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, ফলে তাদের নিজেদের পদও শূন্য হয়ে গেছে।
প্রশ্ন ৩: শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীরা কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে?

উত্তর: শিক্ষক সংকটের কারণে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত মনোযোগ পাচ্ছে না, দুর্বল শিক্ষার্থীদের বিশেষ যত্ন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না এবং একাধিক শিফটে ক্লাস চলার কারণে শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে।
প্রশ্ন ৪: ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কী এবং তারা কী সমস্যার সম্মুখীন?

উত্তর: ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হলেন সেই সহকারী শিক্ষক যিনি প্রধান শিক্ষক না থাকায় সেই দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের সমস্যা হলো – একসাথে দুটি দায়িত্ব সামলাতে হয়, সহকর্মীদের রোষানলে পড়তে হয় এবং পাঠদানে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না।
প্রশ্ন ৫: সরকার কি শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিয়েছে?

উত্তর: হ্যাঁ, বাজিতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ৭৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন। চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শূন্য পদগুলো পূরণ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
প্রশ্ন ৬: দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকায় কী সমস্যা হচ্ছে?

উত্তর: ২৪টি বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকায় স্কুলের নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে, চুরির ঘটনা ঘটছে, স্কুল পরিষ্কার রাখা কঠিন হচ্ছে এবং শিক্ষকদের প্রশাসনিক কাজ করতে হচ্ছে যা তাদের মূল দায়িত্ব নয়।
প্রশ্ন ৭: অভিভাবকরা কী দাবি জানাচ্ছেন?

উত্তর: অভিভাবকরা দ্রুত শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছেন। তারা চান জরুরি ভিত্তিতে সব শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক যাতে তাদের সন্তানরা মানসম্মত শিক্ষা পেতে পারে।
প্রশ্ন ৮: এই সমস্যা কি শুধু বাজিতপুরে আছে?

উত্তর: না, শিক্ষক সংকট শুধু বাজিতপুরের সমস্যা নয়। এটি সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর একটি সাধারণ সমস্যা। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় একই রকম বা আরও খারাপ অবস্থা বিদ্যমান।

ইকরাম শেখ
ইকরাম শেখ
ইকরাম শেখ শিক্ষা খাতের বিভিন্ন আপডেট নিয়ে লেখালেখি করেন। তিনি সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন এবং তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে আগ্রহী। নতুন কোনো ভর্তি বা ফলাফল সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের আগে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত নোটিশ যাচাই করেন। তিনি নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী তথ্য তুলে ধরতে সচেষ্ট।
রিলেটেড আরটিকেল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

জনপ্রিয় নিউজ