ঢাকা: বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ এক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানী ঢাকায়। আজ রবিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া।
প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১১টায় সচিবালয়ের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে এই সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লাখ লাখ বাংলাদেশি কর্মী সৌদি আরবে কর্মরত রয়েছেন এবং তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও দুই দেশের মধ্যে রয়েছে গভীর বন্ধন।
সকাল ৯টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে অফিসে আসেন। তাকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এরপরই দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজের অংশ হিসেবে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কূটনৈতিক সাক্ষাৎ দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো মজবুত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে এ ধরনের সাক্ষাৎ নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।
উল্লেখ্য, সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য ও কূটনৈতিক অংশীদার। প্রতি বছর হজ পালনের জন্য লাখো বাংলাদেশি নাগরিক সৌদি আরব গমন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সৌদি আরব বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদান করে আসছে।
এই সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যে নতুন চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পথ সুগম করতে পারে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। বিশেষভাবে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং প্রযুক্তি খাতে আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য শীগ্রই প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে আগ্রহী মহল এই সাক্ষাৎকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন এবং ভবিষ্যতে আরো বেশি সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা প্রকাশ করছেন।
