শিক্ষার্থীদের ৬ হাজার টাকা করে দেবে সরকার, আবেদন করতে পারবেন যারা

শিক্ষার্থীদের ৬ হাজার টাকা করে দেবে সরকার—এমন খবর এখন অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কাছে বড় স্বস্তির নাম। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ে ভর্তি হওয়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এই admission assistance দিচ্ছে সরকার, যা পরিচালনা করছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট (PMEAT)। সহজ ভাষায় বললে, যারা একাদশ বা আলিম ১ম বর্ষে ভর্তি হয়েছে এবং পরিবারে টাকার চাপ আছে, তারা এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবে।

[Source](https://pmeat.gov.bd/pages/static-pages/6922defe933eb65569e1f092) [Source](https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission)

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই সহায়তার টাকা এককালীন দেওয়া হবে এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ের ক্ষেত্রে পরিমাণ হচ্ছে ৬,০০০ টাকা। আবেদন শুরু হবে ১২ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে এবং অনলাইনে আবেদন চালু থাকবে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আবেদন করতে হবে official admission portal-এ।

[Source](https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission) [Source](https://pmeat.gov.bd/pages/notices/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%AB-%E0%A7%A8%E0%A7%AC-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-ml8x6i-69d74c0571a8aedda5ebe1ad)

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট (PMEAT)–এর ৬ হাজার টাকার ভর্তি সহায়তা আসলে কী

এই সহায়তার মূল উদ্দেশ্য হলো, টাকার অভাবে যেন কোনো দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ না হয়ে যায়। তাই সরকার ভর্তি নিশ্চিত করতে এককালীন অর্থ সহায়তা দিচ্ছে। অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৪,০০০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৬,০০০ টাকা এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে ৮,০০০ টাকা হারে ভর্তি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, এই কর্মসূচি শুধু খবরের শিরোনাম নয়, বরং শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে টিকে থাকতে বাস্তব সহায়তা দেয়।

[Source](https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission) [Source](https://pmeat.gov.bd/pages/static-pages/6922defe933eb65569e1f092)

বিষয় তথ্য
সহায়তার ধরন Admission Assistance / ভর্তি সহায়তা
সহায়তার পরিমাণ ৬,০০০ টাকা
কারা পাবে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ে ভর্তি হওয়া দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী
শ্রেণি/স্তর একাদশ ও আলিম ১ম বর্ষ
আবেদন শুরু ১২ এপ্রিল, সকাল ৯টা
আবেদনের শেষ সময় ৩০ এপ্রিল ২০২৬, রাত ১১:৫৯
আবেদনের মাধ্যম শুধু online application
অফিশিয়াল লিংক eservice.pmeat.gov.bd/admission

কারা আবেদন করতে পারবেন, আর কারা পারবেন না

এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবে দেশের সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে যারা একাদশ বা আলিম ১ম বর্ষে পড়ছে। তবে শুধু ভর্তি হলেই হবে না; আবেদনকারীকে দরিদ্র ও মেধাবী—দুই দিক থেকেই যোগ্য হতে হবে। আগের শ্রেণিতে অন্তত ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে, অথবা যদি জিপিএ পদ্ধতিতে ফল প্রকাশিত হয়, তাহলে GPA 3.50 থাকতে হবে। পরিবারের বার্ষিক আয়ও ৩ লাখ টাকার কম হতে হবে। এতিম, প্রতিবন্ধী, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর সন্তানেরা আবেদন করতে পারবে, তবে এসব ক্ষেত্রে প্রমাণপত্র দিতে হবে।

এখানে একটা বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ভাবেন, “আমি কলেজে ভর্তি হয়েছি, তাই টাকাটা নিশ্চিত।” আসলে তা নয়। আবেদন করার পর কাগজপত্র যাচাই হবে। অর্থাৎ, eligibility ঠিক না থাকলে বা তথ্য মিল না থাকলে সহায়তা পাওয়া যাবে না। তাই আবেদন করার আগে নিজের ফল, পারিবারিক আয়, আর কাগজপত্র সব একবার মিলিয়ে নেওয়া ভালো।

যোগ্যতার শর্ত বিস্তারিত
শিক্ষাগত যোগ্যতা আগের শ্রেণিতে কমপক্ষে ৬০% নম্বর বা GPA 3.50
পারিবারিক আয় বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকার কম
বিশেষ অগ্রাধিকার এতিম, প্রতিবন্ধী, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর সন্তান
যাচাই প্রক্রিয়া উচ্চপর্যায়ের কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করবে

Online application কীভাবে করতে হবে

আবেদন প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি অনলাইনভিত্তিক। তাই কারও কাছে গিয়ে ফরম জমা দেওয়ার দরকার নেই, আবার হার্ডকপি পাঠানোরও প্রয়োজন নেই। অফিসিয়াল portal–এ আগে account না থাকলে registration করতে হবে, তারপর mobile verification করে login করতে হবে। এরপর আবেদন ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র upload করতে হবে। portal–এ আবেদন করার আগে নির্ধারিত সুপারিশ/প্রত্যয়ন ফরম ডাউনলোড করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে সুপারিশ নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া আছে।

[Source](https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission)

আবেদন শেষ করে dashboard-এ গিয়ে status দেখা যাবে। যাচাই শেষ হলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর বা অভিভাবকের online bank account-এ সরাসরি টাকা পাঠানো হবে। অফিসিয়াল সিস্টেমে বলা আছে, আবেদনের শেষ তারিখের পর সাধারণত ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে অর্থ পাঠানো হয়। তাই আবেদন করার পর ধৈর্য ধরে status দেখা জরুরি।

[Source](https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission)

কোন কোন documents লাগবে

এই সহায়তা পেতে কাগজপত্র পরিষ্কারভাবে আপলোড করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর, জন্মনিবন্ধন, অভিভাবকের এনআইডি, দরিদ্রতার প্রত্যয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়ন, আর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য লাগবে। যাদের ক্ষেত্রে বিশেষ কোটার সুবিধা প্রযোজ্য, তাদের অতিরিক্ত প্রমাণপত্রও দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, ঝাপসা ছবি বা অসম্পূর্ণ file upload করলে আবেদন যাচাইয়ে সমস্যা হতে পারে।

[Source](https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission)

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নোট
শিক্ষার্থীর ছবি ও স্বাক্ষর স্পষ্ট হতে হবে
জন্ম নিবন্ধন সনদ শিক্ষার্থীর
অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র স্পষ্ট কপি
পিতা-মাতার এনআইডি যদি থাকে
দরিদ্রতার প্রত্যয়ন ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন/ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক
প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন/সুপারিশ নির্ধারিত ফরমে
ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য চেক বইয়ের প্রথম পাতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট
বিশেষ কোটার প্রমাণ এতিম/প্রতিবন্ধী/বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/২০তম গ্রেডের কর্মচারীর সন্তান হলে

শিক্ষার্থীদের জন্য এই খবর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশে অনেক শিক্ষার্থী আছে, যারা ভালো ফল করেও টাকার অভাবে কলেজে ভর্তি হওয়ার পর টিকে থাকতে কষ্ট পায়। ভর্তি ফি, বই, যাতায়াত, ফরম ফিল-আপ—সব মিলিয়ে শুরুতেই অনেক চাপ আসে। এই জায়গায় শিক্ষার্থীদের ৬ হাজার টাকা সহায়তা শুধু একটি টাকার অংক নয়; এটি পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সাহসও দেয়। বিশেষ করে যারা নতুন করে একাদশে উঠেছে, তাদের জন্য এই সহায়তা পরিবারের আর্থিক চাপ কিছুটা কমাতে পারে।

SEO দিক থেকেও এই খবরের value অনেক বেশি, কারণ মানুষ শুধু “৬ হাজার টাকা” লিখে সার্চ করে না; তারা “কারা পাবে”, “কীভাবে আবেদন করবো”, “deadline কবে”, “documents কী লাগবে”, “official link কোনটা”—এসবও খোঁজে। তাই একটি ভালো নিউজ আর্টিকেলে শুধু শিরোনাম নয়, পুরো বিষয়টি সহজভাবে বুঝিয়ে বলা জরুরি। সেই কারণেই এই প্রতিবেদনটি শুধু খবর নয়, বরং একটি ব্যবহারযোগ্য search-friendly guide হিসেবেও তৈরি করা হয়েছে।

ভুল লিংকে নয়, শুধু official website-এ আবেদন করুন

শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে দরকারি সতর্কতা হলো, কারও কথায় বা Facebook post দেখে অন্য কোথাও টাকা দিয়ে আবেদন করতে যাবেন না। এই সহায়তার আবেদন কেবল অফিসিয়াল portal–এ করা যাবে। তাই সব সময় official application link ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনে PMEAT official website থেকে notice মিলিয়ে নিন। এতে ভুল তথ্য, প্রতারণা বা দালালের ঝামেলা এড়ানো সহজ হবে।

[Source](https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission) [Source](https://pmeat.gov.bd/)

বিজ্ঞপ্তিতে সহায়তা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য অফিস চলাকালীন হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। তাই কোনো সমস্যা হলে অপরিচিত লোকের ওপর ভরসা না করে official help নিন। এতে আপনার আবেদন নিরাপদ থাকবে এবং যাচাইয়ের সময়ও সমস্যা কম হবে।

FAQ: শিক্ষার্থীরা যেসব প্রশ্ন বেশি সার্চ করে

শিক্ষার্থীদের ৬ হাজার টাকা কারা পাবে?

যারা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পর্যায়ে, অর্থাৎ একাদশ বা আলিম ১ম বর্ষে ভর্তি হয়েছে এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল কিন্তু মেধাবী—তারা এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবে।

আবেদন কবে থেকে শুরু হবে?

আবেদন শুরু হবে ১২ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে। তাই আগে থেকেই কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা ভালো।

আবেদন করার শেষ তারিখ কবে?

অনলাইনে আবেদন করা যাবে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। শেষ মুহূর্তে server pressure এড়াতে আগে আবেদন করাই ভালো।

কত নম্বর বা GPA লাগবে?

আগের শ্রেণিতে অন্তত ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। আর GPA পদ্ধতিতে ফল হলে অন্তত GPA 3.50 থাকতে হবে।

পরিবারের আয় কত হলে আবেদন করা যাবে?

অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকার কম হতে হবে। এই তথ্যের সমর্থনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও লাগতে পারে।

কোন website-এ আবেদন করতে হবে?

আবেদন করতে হবে eservice.pmeat.gov.bd/admission এই অফিসিয়াল portal–এ। অন্য কোনো লিংকে আবেদন করা নিরাপদ নয়।

আবেদনের জন্য কী কী documents লাগবে?

শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর, জন্মনিবন্ধন, অভিভাবকের এনআইডি, দরিদ্রতার প্রত্যয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়ন/সুপারিশ এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য লাগবে। বিশেষ কোটায় আবেদন করলে অতিরিক্ত প্রমাণপত্রও লাগবে।

টাকা কীভাবে পাওয়া যাবে?

যাচাই-বাছাইয়ের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীর বা অভিভাবকের online bank account-এ সরাসরি টাকা পাঠানো হবে। সাধারণভাবে আবেদনের শেষ সময় পেরোনোর পর ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে অর্থ প্রেরণের কথা বলা হয়েছে।

[Source](https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission)